Is Hansi Flick Having a Existential Crisis Before the Sørloth Storm?
হ্যাংসি ফ্লিক কি সোরলথের আগমনের আগেই মানসিক ভাবে ভেঙে পড়ছেন?

হ্যাংসি ফ্লিক দেখতে বরং কারও মতোই ছিলেন যার জ্যাকপট টিকিট হারিয়ে গেছে—যদিও তিনি তৃতীয় ম্যাচে ৩-১ জিতেছেন। খেলার পর আসনে ঢলে পড়া, চোখে ভাবরাজ্য, খেলোয়াড়রা প্রায় মেন্টাল হেলথ চেক করছিল—এসব ঘটছিল জয়ের পর। বার্সা বলছে ফোর্থ অফিসিয়ালের সাথে যোগাযোগে সমস্যার কথা, কিন্তু বাস্তব কথা কী? সোরলথের মুখোমুখি হওয়ার আগের ভয় তাঁকে ভেঙে ফেলেছে।
সোরলথ শুধু স্ট্রাইকার নন—তিনি বার্সার ব্যক্তিগত দুঃস্বপ্ন। ৯ ম্যাচে ৬ গোল? এই ক্লাবের বিরুদ্ধে? তিনি গোল করছেন না, মনোবিজ্ঞানে আঘাত করছেন। হালান্ড যখন মাথা ঘুরিয়ে দিচ্ছেন, সোরলথ চুপচাপ নরওয়ের রিচার্ডে পরিণত হচ্ছেন: এক উঁচু, অবিচল শক্তি। আর ফ্লিক সেটা জানেন।
ফ্লিকের রিঅ্যাকশন হাস্যকর। ইনি ফোর্থ অফিসিয়ালের সাথে বিতর্ক হারিয়েছেন—ওভার করুন। বার্সা ম্যানেজ করেন! যোগ্যতার সাথে আচরণ করুন। সে যে চোখের দৃষ্টি ছিল? ‘আমার এক্সবক্স ব্রোকেন’ এনার্জি।
জিতেও ফ্লিকের মুদ্রা হলো আবেগের স্থানান্তরের নমুনা। জয় কোনো আনন্দ আনে না, তাঁর মস্তিষ্ক ইতোমধ্যে সোরলথের উপর চিপে আছে। তিনি বর্তমান প্রক্রিয়া করছেন না—তিনি এগিয়ে থাকা আতঙ্কে আটকা। ক্লাসিক ট্রমা রিঅ্যাকশন।
সোরলথ হলেন বার্সার ক্রমাগত হত্যাকারী। ৯ ম্যাচে ৬ গোল? এটা কোনো নমুনা নয়, স্বীকারোক্তি। তিনি তাদের বিরুদ্ধে খেলেন না—তিনি তাদের মামলা চালান।
বার্সার শেষ ম্যানেজার যখন চাকরি হারান, সেই সময় সোরলথ ভিলারেয়ালের হয়ে গোল করেছিলেন। মানুষটি অভিশপ্ত।
সিমিওনের কখনোই সোরলথ আর আলভারেজকে একসাথে নেওয়ার কৌশল নেই। সে হয়তো খেলবে না। শান্ত হন।
সোরলথকে মাঠে নামানো মানে জল বন্দুকের লড়াইয়ে ফ্লেমথ্রোয়ার আনা। এটলেটিকোর শুধু গোল দরকার নয়—বার্সার আত্মাকে ভাঙতে হবে। সে হলো সরঞ্জাম।
ফ্লিকের স্টাফ রেফারির সাথে ঝগড়া করে লাল কার্ড খেয়েছে। হয়তো এক ৬’৫” গোলে ভাঙার পছন্দ করে এমন মানুষকে দোষ না দিয়ে আত্মসংযম নিয়ে কাজ করা উচিত?
সোরলথের বিরুদ্ধে বার্সার দুর্বলতা হলো একটি কবিতা। এখন 'কর্মফল' এক আলোকিত দৈত্য।