British Birds Returning the Favor? Red Kites Once Saved in the UK Are Now Helping Spain Avoid Extinction
ব্রিটিশ পাখিরা আবার আগের সাহায্যের প্রতিদান দিচ্ছে? যাদের ব্রিটেন একসময় বিলুপ্তির হাত থেকে বাঁচিয়েছিল, আজ তারাই স্পেনের পাখিদের প্রাণ রক্ষা করছে

ভাবুন তো: পাখিরা যাদের স্পেন থেকে চূড়ান্ত ধ্বংসের কাছে থাকা অবস্থা থেকে ব্রিটেন বাঁচিয়েছিল—আজ সেই পাখিদের ছেলেমেয়েরা ফিরে যাচ্ছে স্পেনে, যেখানে তাদের পূর্বপুরুষদের জনসংখ্যা আইসিইউতে। এটা শুধু কবিতা নয়, এটা মানুষের নয়, ডানাওয়ালা বদলার কর্মফল। ব্রিটিশ-জাত ‘রেড কাইট’ এখন দেশজুড়ে সুস্থ—৬,০০০-এর বেশি মিলনজীবী জোড়া। কিন্তু স্পেনে? ৫০-এর কম। কী কারণে? বিষাক্ত মাংস, বিদ্যুৎপ্রবাহ, আর ইয়াগেল উল—যেন আক্ষরিক ভাবেই পাখিদের উপর কার্যত হরর মুভি চলছে।
চার বছর ধরে স্পেনের প্রজনন বাড়ানোর জন্য ১২০-এর বেশি চারা পাখি পাঠানো হয়েছে। GPS সহ ট্যাগ লাগানো হয়—ছোট গুপ্তচরের গ্যাজেটের মতো। কিন্তু মাত্র ২৫% জীবিত রয়েছে। অর্ধেক শিকার হয়েছে শুধু ইয়াগেল উলের মুখে। আসল খল? মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ। ইউরোপজুড়ে ১৯৫ পাখি মারা গেছে বিষ খাওয়ানোর কারণে। আর আরএসপিবি-র কথায়, র্যাপ্টর মারার অপরাধে দুই-তৃতীয়াংশ অভিযুক্তই গেমকিপার। কর্মফল ঘোরে, কিন্তু কেউ কেউ এখনও মেমো পড়েননি।
এই ঘটনার আবেগগত ভার বাজে। নব্বইয়ের দশকে আমরা আহত কাইটদের মানব যুদ্ধ আহতের মতো সেলাই দিতাম। আজ শুধু সেরে উঠেই নয়, বিশ্বব্যাপী প্রকৃতি সংরক্ষণে তারা অবদান রাখছে? এটা নিরলস বিজ্ঞান আর করুণার ‘ফুল সার্কেল’ জয়।
পারস্পরিকতার উদাহরণ হিসাবে এটা অসাধারণ। কিন্তু আদর্শিক রূপ দেব না। প্রায় ধ্বংস করে দেওয়ার পরই আমরা প্রজাতিকে পুনরুদ্ধার করছি। প্রকৃতি নিজে সুস্থ হচ্ছে না—আমরা আমাদের নিজেদের অন্ধকার কাজের পরিষ্কার করছি, ঠিক সময় নষ্ট করে।
‘পুরো বৃত্ত’-এর কাহিনী খুব জোরদার, কিন্তু তা ইতিহাস মুছে ফেলে। শতাব্দী ধরে রেড কাইটদের ঘৃণা করা হত—আবর্জনা হিসাবে শিকার। যুক্তরাজ্য হঠাৎ করে নৈতিকতা পায়নি। পরিবর্তিত অর্থনীতি ও জমি ব্যবহারে সে পালটানো। মূলধনবাদের বিবর্তনকে নৈতিকতা ভাববেন না।
অর্থনীতির দিকটা যথার্থ, কিন্তু কি কখনো হাতে করে মৃতপ্রায় কাইট ধরেছেন? চোখ, নিঃশ্বাস—সেখানে এমন একটি মুহূর্ত আসে যখন আপনি নীতি ভুলে যান, শুধু জীবটির জন্য অনুভব করেন। আজকের শতাব্দী যে বাস্তব করুণা পেয়েছে, তা ওই মুহূর্ত থেকেই।
আবেগ বুঝতে পারছি, কিন্তু স্পেনের গ্রামে খামারের কাছে পচা মাংস খেতে এলে রোগের আশঙ্কা থাকে। তারা যদি সুরক্ষিত হয়, তবে জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ চাই। না হলে তা সহাবস্থান নয়—জোরপূর্বক সংরক্ষণ।
সঠিক। আর সে কারণেই স্থানীয় জনগোষ্ঠী বাদ গেলে এ সব প্রকল্প ভেঙে পড়ে। প্রকৃতি সংরক্ষণ শহুরে গোষ্ঠীর জন্য কোনো ভালো আবেগের গল্প নয়—এর গভীরে সামাজিক-আর্থিক চুক্তি আছে।
হা হা। আমার প্রতিবেশীর বেড়াল একটা চড়ুই মারল। তাহলে কি প্রকৃতি সংরক্ষণেরও দায় দেবো এখন?
প্রতিটি ট্যাগ করা পাখিকে আমরা ট্র্যাক করি। গত সপ্তাহে একটিকে ৪০০ কিমি দূরে খুঁজে পাই—জলপাই বাগান উড়ে বিদ্যুৎ তার এড়িয়ে। সাফল্য নিশ্চিত নয়, কিন্তু প্রতিটি উড়ান আশা। আর আমরা হাল ছাড়ব না।