Is This Jaguar Just an Overgrown Orange Cat? The 'Orange and Jobless' Meme That’s Taking Over Zoos
এই জ্যাগুয়ার কি শুধু একটা বড় হওয়া কমলা বিড়াল? ‘অরেঞ্জ অ্যান্ড জবলেস’ মিম যে ঝড় তুলেছে
মহাকার বায়ুকলে এলমউড পার্ক চিড়িয়াখানার ১২ বছর বয়সী জ্যাগুয়ার জিয়ান বিড়ালের বিশৃঙ্খলা তত্ত্বকে আর্টে পরিণত করছে। ব্যারেলগুলোকে শিকার মনে করে চুপে চুপে হাঁটা, তাদের ঘরঘর করে টানা, আর গোলাকার জিনিস আয়তাকার ফাঁক দিয়ে ঢুকানোর চেষ্টায় মহা ব্যর্থ হওয়া—এটা শুধু আমাদের মনোরঞ্জন করা নয়, এটা ছোট থেকে বড় সব কমলা বিড়ালের মিমের জ্যাগুয়ার-আকৃতির প্রমাণ।
‘অরেঞ্জ অ্যান্ড জবলেস’ সিরিজটি হালকা ছিপছিপে ভাবে একটা প্রিয় ধরনকে মশকাত করে তোলে: একটি বড় বিড়াল যে বড় বিড়াল মত বোকা কাজ করছে আর গোটা বিশ্ব চেঁচাচ্ছে—কিন্তু হাসির তলায় এটা জীবজন্তুদের মানসিক উন্নয়ন নিয়ে একটা চমৎকার মন্তব্য। জ্যাগুয়ারকে স্বাধীনতা না দিলেও তাকে কিছু কারণ দেওয়া যায়—যেমন একটা ব্যারেল জয় করা। আর আমি আন্তরিকভাবে বলছি? কখনও কখনও উদ্দেশ্য একেবারেই নিরর্থক মজার আচরণের মতো দেখায়।
চলুন বাস্তব কথা বলি—২০০ পাউন্ডের একজন শীর্ষ শিকারীকে ‘কাজহীন’ বলা, কারণ সে একটা ব্যারেল আনন্দে নিয়ে খেলছে, এটা মানুষের নার্সিসিজমের চরম নমুনা। আমরা আমাদের ৯ টা থেকে ৫ টার ভয়টা বন্য প্রাণীদের উপর চাপিয়ে দিই এবং ‘মনোরঞ্জন’ বলে চিঠি দেই। মিষ্টি? অবশ্যই। নৈতিক? প্রশ্নবিদ্ধ।
জিয়ান কাজহীন নয়—সে তার ক্যারিয়ারকে সোশ্যাল মিডিয়া টিমের কাছে আউটসোর্স করেছে। সত্যি বলতে, একটা ব্যারেলের সাথে দিনের পর দিন গড়াগড়ি করতে পেলে আমি যেকোন কিছু দিতে প্রস্তুত।
মানুষ ভুলে যায় মানসিক উন্নয়ন কতটা জরুরি। প্রকৃতিতে একটা জ্যাগুয়ার ৭০% সময় শিকারের জন্য ব্যয় করে। এখানে, ব্যারেলটাই তার শিকার। সেই চেষ্টা নিষ্ফল নয়—এটা উদ্দেশ্যপূর্ণ খেলা।
আমার পাঁচটা কমলা বিড়াল ছিল। প্রত্যেকেই তাদের বিছানায় কোনো অদ্ভুত জিনিস টেনে নিতে চেয়েছে—একটা ঝাড়ু, পুরো রোলের কাগজের রোল। জিয়ান? সে জ্যাগুয়ার নয়। সে শুধু একটা কমলা বিড়াল, যার বাজেট হচ্ছে ট্যাক্সিডার্মির জন্য।
দরজার জায়গায় ব্যারেল নিয়ে আটকা পড়া জিয়ান আসল জীবনের ছবি। আমরা নিজেদের ঘিরে রাখা ব্যবস্থা বানাই, তারপর আমাদের ‘ব্যারেল’ তার মধ্যে দিয়ে টানার চেষ্টা করি—যেন সেটাই জীবনের চূড়ান্ত লক্ষ্য।
আমি শুধু শুনলাম ‘পিভট’… ওই ব্যারেল নিজে থেকে ঘুরবে না।
সে তার কেয়ারটেকারকে এমন ঘৃণার চোখে দেখছিল যেন বলছে, ‘যদি সাহায্য করতে না পারো, তাহলে এখানে কেন?’ পুরোপুরি বিড়ালের ভাব।
সোশ্যাল মিডিয়ার সত্যিকারের প্রভাব হলো—একটি জ্যাগুয়ারের ব্যারেল সরাতে ব্যর্থ হওয়া দেখিয়ে মানুষকে প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য মন গোলানো। প্রথমে আবেগ, তারপর শিক্ষা।