India Gets Plenty of Sun—So Why Is Everyone Still Vitamin D Deficient?
ভারতে তো সারাবছর সূর্য! তবে কেন সবারই ভিটামিন ডি-র ঘাটতি?

আইরনি হলো: আমরা এমন দেশে বাস করি যেখানে বছরে ৩০০ দিন সূর্যের আলো পড়ে, তবু ভিটামিন ডি-র ঘাটতি খুবই সাধারণ—বিশেষত শহরগুলোতে। ডাক্তারেরা এটিকে বলছেন ‘নীরব মহামারী’, কারণ অধিকাংশ মানুষ তখনই লক্ষণ টের পায় যখন অনেক দেরি হয়ে গেছে।
সবচেয়ে খারাপ কী? আপনি প্রতিদিন সূর্যে ধূপ খেয়েও ভিটামিন ডি-র ঘাটতি পেতে পারেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, শহুরে জীবনযাপন—অর্থাৎ এয়ারকন্ডিশনড অফিস, দূষণ এবং সানস্ক্রিনের আসক্তি—আমাদের ত্বকে ভিটামিন ডি উৎপাদন কমাচ্ছে। আর স্বীকার করুন: মাথা গোঁজা, হাত-পা ঢেকে রেখে, কে মধ্যাহ্নে আসলে ২০ মিনিট সূর্যের আলো পায়?
শহরের রোগীদের দৈনিক চিকিৎসা করে আমি দেখি: ক্লান্তি আর শরীর ব্যথাকে প্রায়শই হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। ভিটামিন ডি-র টেস্ট করালে ১০ জনের মধ্যে ৮ম জনের ঘাটতি থাকে। শুধু হাড়ের কথা নয়—এটি মেজাজ আর ঘুমকেও প্রভাবিত করে।
আমি সকাল ৮:৩০ থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত অফিসে থাকি। আমার সময় পেতে পৌঁছাতে হলেই সূর্যাস্ত। আমি সাপ্লিমেন্ট নিই, তবু আমার মাত্রা ১৮ ng/ml-এর কাছাকাছি থাকে। আসলেই কতটা সূর্যালোক পেতে পারেন যদি আপনি ভিতরে আটকে থাকেন?
আমার কাকাতো ভাইঝির ভিটামিন ডি-র ঘাটতি ধরা পড়ার পর ডাক্তার উচ্চ মাত্রার সাপ্লিমেন্ট প্রেসক্রাইব করেন। ৩ মাসে তার মাত্রা লাফিয়ে বাড়ে, তবে বেশিরভাগ সময় বুক ধড়ফড় ও বমি বমি ভাব হয়। ভিটামিন ডি-র বেশি হওয়াও সম্ভব!
অসুস্থতার কথা শুনে ভয় লাগছে। হয়তো আমার ডাক্তারকে আমার মাত্রা নজরদারিতে রাখা উচিত, মাত্র প্রতিদিন ১০০০ IU নিন—এই উপদেশ দিলেই নয়।
ভাই, সানস্ক্রিন ছাড়ো। মধ্যাহ্নে হাত আর মুখে ১০ মিনিট সরাসরি সূর্যালোক—কোনো কেমিক্যাল নয়। ত্বক খুশি হবে। সত্যিই সানস্ক্রিন ভিটামিন ডি প্রভাবিত করে—এ নিয়ে আলোচনা চলছে।
লল, না। ত্বকের ক্যান্সারের ঝুঁকি কোনো কাল্পনিক কথা নয়। ১০-১৫ মিনিট সূর্যের সংস্পর্শে ভিটামিন ডি পেতে পারেন। তারপর আপনি ত্বককে নিয়ে 'রাশিয়ান রুলেট' খেলছেন। 'বায়োহ্যাকিং'-এর নামে সানস্ক্রিন উড়িয়ে দিবেন না।
মাসে ৫০ টাকা লাগে ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্টে। সানস্ক্রিন? বোতলপ্রতি ৮০০ টাকা। বলুন, কোনটা আমি প্রাধান্য দিব?