AI Is Now Picking Political Candidates — Are We Heading for a Post-Party America?
AI এখন রাজনৈতিক প্রার্থী বাছছে — আমরা কি দ্বি-দলবিহীন আমেরিকার দিকে এগোচ্ছি?

ইন্ডিপেন্ডেন্ট সেন্টার দাবি করে যে, AI কংগ্রেসের দ্বি-দলবাদী একচেটিয়া ক্ষমতা ভাঙতে পারে, দোলা এলাকা খুঁজে বার করে যেখানে স্বাধীন প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা থাকতে পারে। এটা শুধু স্বপ্ন নয়—এটা ডেটা-চালিত রাজনৈতিক যুদ্ধ।
আমেরিকার ৪৩% মানুষ এখন স্বাধীন হিসেবে পরিচয় দিচ্ছে, ফলে দুই দল ভাঙনের পথে। প্রশ্নটা আর হচ্ছে না যে AI কি রাজনীতি আকৃতি দেবে—এটা ইতিমধ্যেই করছে। আসল প্রশ্ন হল: AI-এর হাল কে ধরবে?
AI কেবল রাজনীতির বিশ্লেষণই করছে না, নিজেকে কৌশলগর্ভ কর্মী হিসেবে গড়ে তুলছে। ভোটার ও প্রার্থীদের মধ্যে রত্ন খুঁজে পাওয়ার ধারণাই সবকিছু পাল্টে দিচ্ছে। এখন কৌতুক বা ব্যক্তিত্বের বদলে ডেটায় মিল খুঁজছে।
আগেকার দিনে, চার-হাতা আলাপ-আলোচনা আর স্থানীয় সম্পর্ক দরকার ছিল। এখন কি? AI যে তথ্য তুলিয়ে নিতে পারে, শুধু একটি লিংকডইন প্রোফাইল আর কয়েকটি খবরের উল্লেখই যথেষ্ট।
AI-এর এই ব্যবহার ভবিষ্যতের ভয়াবহ ছবি তুলে ধরে: আমরা পক্ষপাতপূর্ণ তথ্যে প্রশিক্ষিত অ্যালগরিদমের কাছে গণতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হস্তান্তর করছি।
ঠিক সময়ে। হয়তো এখন আমরা তাঁদের পাব, যাঁরা হার্ভার্ড আর গোল্ডম্যান স্যাকস থেকে সরাসরি রাজনীতিতে আসেননি।
আমি টি পার্টি জ্বালানি জোগাতে সাহায্য করেছিলাম। এটা ঠিক ওইরকমই লাগছে—প্রান্তিকেরা গ্রাসরুটসের শক্তি দিয়ে ব্যবস্থা নাড়া দিচ্ছে। পার্থক্য শুধু সরঞ্জামে।
ঠিক তাই। আগে ছিল প্রচারপত্র আর ফোন কেন্দ্র। এখন আছে ভবিষ্যদ্বাণীমূলক মডেলিং আর অনুভূতি বিশ্লেষণ। বিপ্লবই আপগ্রেড হচ্ছে।
আমি রিপাবলিকানে ভোট দিই কিন্তু নাক চেপে। যদি AI এমন কাউকে খুঁজে পায় যিনি আমার মিশ্রিত দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত করেন, ঝটপট পক্ষান্তর করব।
কিন্তু কে তো AI-কে প্রশিক্ষণ দেয়? যদি এটা বিজেপি সমর্থক হয়, তবে এটি কতটা নিরপেক্ষ হতে পারে? এ কোনো জাদু নয়—এটি কারও আদর্শ কোডের মধ্যে ঢোকানো।