Boston’s Secret Swamp Life: Did a Pet Alligator Just Moonwalk Into the Charles River?
বোস্টনের গোপন জলাজমি জীবন: কি সত্যিই একটি পোষা মগরমাছ চার্লস নদীতে 'মুনওয়াক' করে ঢুকেছে?
তাহলে মাসাচুসেটসের শীতকালে একটি পোষা মগরমাছকে চার্লস নদীতে মুনওয়াক করতে দেখা গেল? এটা কি কোনো বৈজ্ঞানিক গল্পের দৃশ্য নয়—এটা বোস্টনের সাধারণ মঙ্গলবার। স্থানীয় বন্যপ্রাণী আধিকারিকদের এখন হন্যে হয়ে খুঁজতে হচ্ছে এমন প্রাণী, যে হিমাঙ্কের তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে না; আর সামাজিক মাধ্যম উদযাপন করছে সেই সরীসৃপের হঠাৎ আবির্ভাব। শুধু আশা করি কেউ TikTok-এ ভাইরাল করার আগে Animal Control-কে কল করেনি।
মগরমাছ শীতল রক্তের। 40°F তাপমাত্রায় এরা আক্ষরিক অর্থে থমকে যায়। এই প্রাণীটি সম্ভবত অঙ্গ বিকল হওয়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ছিল। মানুষ বিদেশী প্রাণী পোষা ভালোবাসে, কিন্তু শীতে তাদের বাঁচানোর কথা কখনো ভাবে না।
আমি সপ্তাহে তিনবার ঐ অংশে ডিঙি চালাই। মনে হয়েছিল একটি কাঠ। খুশি আমি নই যে 'মুনওয়াক' করে পিছনে সরে গেছি।
পোষা প্রাণী রাখার আইন নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন আসে। কি কারণে কোনো মানুষ এমন প্রজাতি আমদানি করতে পারবে যা পালালে গোটা বাস্তুতন্ত্র ভেঙে দেবে? এটা নতুন কিছু আনার কথা নয়—এটা পরিবেশগত দায়িত্ব।
আমরা বোস্টনের মগরমাছটিকে খুঁজে নিরাপদে নিয়ে এসেছি। সে আরামে, খাওয়া-দাওয়া করে বিশ্রাম করছে। সব নায়কই ক্যাপ পরে না—কেউ কেউ বিদেশী প্রাণী উদ্ধার করে।
যখন সার্বজনীন সবুজ জায়গার সাথে আবেগে পোষা প্রাণী রাখা মিশে যায়, এটাই হয়। আমরা সৌন্দর্য ও বিনোদনের জন্য জলাভূমি ডিজাইন করি, সরীসৃপের বাসস্থান নয়। এমন জন্য আমাদের অবকাঠামো তৈরি হয়নি।
ভালো কথা, কিন্তু আমরা মগরমাছের জন্য জলনিষ্কাশন সিস্টেমও বানাইনি। তবু আমরা এখানে।
বিদেশী প্রাণীর ভিডিও দশ গুণ বেশি দর্শন পায়। তাই পুরস্কার। মানুষ চায় প্রভাব, নয় শীতল রক্তের দায়িত্ব। আইন নয়, অ্যালগরিদম ঠিক করো।
আর ভুলো না: আসল খলনায়ক হতে পারে সেই ব্যক্তি, যে তার মগরমাছের নাম রেখেছে 'বস্টন'। এটা নাম নয়, এটা পুনর্বাসনের আদেশ।