Is the Cedi Stronger or Just Pretending? Dealers ‘Cut Prices by 60%’ — But Have You Seen It at Abossey Okai?
সেডি আসলেই শক্তিশালী হয়েছে, নাকি শুধু চেহারা বদলাচ্ছে? বলা হচ্ছে মূল্য ৬০% কমেছে — কিন্তু আবোসে ওকাইয়ে কি কাউনে এটা দেখা গেছে?

মানে সেডি এখন ‘শক্তিশালী’, মুদ্রাস্ফীতি কমছে — কিন্তু আবোসে ওকাইয়ে ঢুকলে মনে হবে গার্হস্থ্য বাজেটের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে গানা। জিএসএর প্রফেসর গায়ম্পো কিছু সত্য ফাটিয়েছেন: মুদ্রা যদি ভালো করে, তাহলে স্পেয়ার পার্টসের দাম কেন তা দেখাচ্ছে না? তিনি দোকানদারদের ভোক্তাকে ATM-এর মতো চলা থেকে বিরত রাখতে বলছেন। যুক্তি ঠিক আছে। কিন্তু এক পক্ষ যখন বলে ‘৬০% দাম কমেছে’, অন্যদিকে রাস্তায় মানুষ বলছে ‘কই সেটা?’ — তখন হয় কাউকে মিথ্যা বলছে, নাহয় বাজার আলাদা রিয়ালিটি মডেলে চলছে।
এখানে আসল মসলা: জিএসএ শুধু দোকানদারদের দোষ দিচ্ছে না। তারা অর্থমন্ত্রীদের সঙ্গে মিলে বন্দরের শুল্ক পর্যালোচনা কমিটিতে কাজ করছে। মানে সব বিক্রেতার উপরই নয় — সেডি ফিরে এলেও আমদানি খরচ এখনও উঁচু হতে পারে। কিন্তু প্রফেসর গায়ম্পোর বার্তা পরিষ্কার: খরচ কমুক আকাশ থেকে হোক, দাম অবশ্যই কমবে। পরে নয়। ২০২৬-এ নয়। এখনই। বিশেষ করে যখন ব্যবসায়ীদের ‘একসাথে চলা’ উচিত হয় সাধারণ মানুষের সঙ্গে।
আসুন গোলমাল কমাই। সেডির উদ্ধার এখনও বন্দরের দক্ষতা স্পর্শ করেনি। জেল ডিউরেজ ফি, হ্যান্ডলিং খরচ এবং দুর্নীতি এখনও আমদানি বিল ফোলাচ্ছে। জিএসএর শুল্ক পর্যালোচনা ভালো কথা, কিন্তু যদি তারা প্রতিটি লুকানো চার্জ অডিট না করে, তবে ‘সুষ্ঠু মূল্য’ কথার কথা ছাড়া কিছুই নয়।
প্রফ গায়ম্পোর প্রতি শ্রদ্ধা। তিনি আসলেই বুঝেছেন। আমরা ব্যয়বহুল আমদানিতে ডুবে আছি। বাল্টু থেকে শুরু করে প্রতিটি অল্টারনেটর — মূল্য গত বছর থেকে এক ইঞ্চিও কমেনি। কাস্টমাররা আমাদের নির্বোধের মতো গালি দেয় যেন আমরা মুদ্রার হার নির্ধারণ করেছি। আসল বাধা ধরার জন্য ধন্যবাদ।
শুধু মূল্য কমানোর ব্যাপার নয়। বিশ্বাসের ব্যাপার। যখন সরকার ‘অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে’ বলে, কিন্তু মেকানিকদের 100 ডলার দিতে হয় ফ্যান বেল্টে, তখন মানুষের বিশ্বাস উঠে যায়। এ সবই গভীর গঠনমূলক গোলমালের লক্ষণ — স্থানীয় উৎপাদনের অভাব, আমদানির উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা। মূল্য নিয়ে পোকার খেলা বন্ধ করুন এবং ভিত্তি মজবুত করুন।
সঠিক। মেকানিকদের উপর আসে গরম, কিন্তু পণ্য বন্দর ছাড়ার আগেই আসল মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। আবোসে ওকাইয়ে পৌঁছাতে পৌঁছাতে চার ধরনের ব্যক্তি এগুলোর দাম বাড়িয়ে দেয়। তাকে কার্টেল বলুন, অদক্ষতা বলুন — তবে শোষণ হচ্ছে।
গতকাল একটি ব্রেক লাইট বদলাতে ৫০ সেডি চার্জ করা হয়েছে। ২০২২ সালে ছিল ২০। ‘শক্তিশালী সেডি’ শুনতে মন্দ রসিকতার মতো লাগে যখন আপনার ট্যাক্সি ভাড়া ও গাড়ির মেরামত আপনাকে শুকিয়ে ফেলছে।
হ্যাঁ। ওই ৫০ সেডির মধ্যে ৩৫টা কমপক্ষে পার্ট কিনতে দিয়েছি সাপ্লায়ারকে। বাকিটা ওভারহেড। আর আপনি যদি বলেন ‘সস্তা বিক্রি করুন’, তবে দয়া করে ভোজভাত, বিদ্যুৎ ও সরঞ্জাম কিনতে চেষ্টা করুন কম মার্জিন নিয়ে।
সবাই দোকানদার বা জিএসএকে অভিযুক্ত করছে, কিন্তু উৎপাদন নিয়ে কারও কথা নেই? দক্ষিণ আফ্রিকা নিজের ৭০% অটো পার্টস তৈরি করে। গানা? বেশিরভাগ আমদানি। পরস্পরকে দোষ দেওয়া বন্ধ করুন এবং কারখানা তৈরি করা শুরু করুন। তখন আমরা আসল মূল্য নিয়ে কথা বলতে পারব।
এবং যে দোকানদাররা ‘৬০% মূল্য কমেছে’ বলে— যদি সত্যি হয়, খুব ভালো। কিন্তু আমাদের প্রকৃত পণ্যের আগে-পরের মূল্য দেখান, অস্পষ্ট ঘোষণার কথা নয়। স্বচ্ছতা অত্যুৎসাহী কিছু নয়। এটি মৌলিক সততা।