A Scholar Turned Reluctant Diplomat Just Revealed the Dark Reality of Hostage Advocacy — Is Public Outrage Enough?
একজন পণ্ডিত এক রাতের মধ্যে হোস্টেজ নিয়ে আন্তর্জাতিক সংগ্রামে জড়িয়ে পড়লেন — জনসাধারণের ক্রোধ কি আসলেই কিছু বদলাতে পারে?

জোনাথান ডেকেল-চেন, পেশায় একজন ইতিহাসবিদ, হঠাৎ করেই একাডেমিয়া থেকে এক নিদারুণ আতঙ্কে ছিটকে গেলেন যখন অক্টোবর ২০২৩-এ হামাস তাঁর কিবুটজ ‘নির ওজ’-এ হামলা করে। তাঁর ছেলে সাগুইকে হোস্টেজ হিসাবে নিয়ে যাওয়া হয়—এবং প্রায় ৫০০ দিন ধরে পৃথিবী নীরব ছিল। এখন তিনি হোস্টেজ মুক্তির আন্তর্জাতিক প্রচারণায় দু’বছর কাটিয়েছেন, আর তিনি আন্তর্জাতিক কূটনীতির আড়ালের সত্য ফাঁস করছেন।
তিনি বিষয়টি নরম করেননি: মূলধারার ইহুদি সংগঠনগুলো তাঁর ছেলের মুক্তির ওপর গুরুত্ব দেবার অস্বীকৃতি জানায়। তিনি ব্যর্থ হন তাদের কাছ থেকে একটি নির্বিচারে বক্তব্য আদায় করতে। কিন্তু হাল ছেড়ে না দিয়ে, তিনি আরও প্রচণ্ড চাপ দেন—নীতিনির্ধারকদের কাছে প্রবেশাধিকার পাওয়ার জন্য তিনি তাঁর একাডেমিক খ্যাতি ও সহানুভূতি ব্যবহার করেন। বার্তা স্পষ্ট: রাগ দিয়ে পরিবর্তন আসে না। পরিবর্তন আসে কৌশল, তথ্য এবং নিষ্ঠার মাধ্যমে।
আসল কথা বলছি: আইনী আন্দোলন ভাইরাল হ্যাশট্যাগের বিষয় নয়। এর কেন্দ্র হলো ক্ষমতার করিডোরে প্রবেশ করা। ডেকেল-চেন মিছিল করেননি—তিনি আলোচনা করেছেন। এজন্যই অন্যদের শূন্যতায় চিৎকারের পাশে তাঁর মিটিং হয়েছে হোয়াইট হাউসে।
হ্যাঁ, ‘তথ্য নিয়ে আলোচনা করুন’ কথাটা ভালো শোনায়, কিন্তু সত্যি হলো বেশিরভাগ মানুষ তথ্য নয়, বরং কাহিনীতে বিশ্বাস করে। ডেকেল-চেনের প্রতি আমার শ্রদ্ধা আছে, কিন্তু আবেগপ্রবণ আন্দোলন যে জনগণকে নড়িয়ে দেয় সেটা অস্বীকার করব না।
ডেকেল-চেন যেটা বলছেন সেটা কেবল আইনী দাবি নয়—তা হলো সংকট কূটনীতি। তিনি আবেগপ্রবণ বিশৃঙ্খলাতে শিক্ষাগত কঠোরতা প্রয়োগ করছেন। এটা বিরল। বেশিরভাগ কর্মী হতাশায় আটকে যায়। তিনি নিজেকে নতুনভাবে সাজিয়েছেন। তাই তিনি এখনও এগিয়ে আছেন।
ছাত্রছাত্রীদের প্রতি তাঁর পরামর্শ—‘মেগাফোন নয়, একটি গভীর আবেদন উপস্থাপন করুন’—ভালো। কিন্তু স্বীকার করুন: আজকের ক্যাম্পাস আবহাওয়ায় তথ্য নিজেই রাজনৈতিক। একটা ‘আবেদন’ হয়তো শুধু আপনাকে দোক্স করে দেবে।
আমি শ্রোতাদের মধ্যে ছিলাম। তিনি এমন কিছু বলেছেন যা আমি কখনও ভুলব না: ‘বাস্তব যা, তা-ই বাস্তব।’ ট্রেন্ড নয়। আপনার মতবাদের খাপ খাওয়ানো নয়। শুধু সত্য। কথাগুলো আমার গা ছমছম করে উঠেছিল।
যা কিছু তিনি করেছেন তার আবেগগত মূল্য অকল্পনীয়। বেশিরভাগ বাবা-মা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ত। তিনি আঘাতকে নিখুঁত কৌশলে পরিণত করেছেন। এটা শুধু আইনী নয়। এটা মানবতার উপরের সহনশীলতা।
মনোহর বক্তৃতা। প্রশংসনীয় প্রচেষ্টা। কিন্তু আসুন কল্পনা করব না যে সিস্টেম ততক্ষণ পর্যন্ত পাত্তা দেয়নি যতক্ষণ না এটা রাজনৈতিক সুবিধা দেয়নি। মানুষের জীবনকে আপোসের মুদ্রা বানানো? চমৎকার উদাহরণ।
তিনি এমন কিছু বলেছেন যা অপরিহার্য: বিপক্ষ যুক্তি বোঝা। এটাই কৌশলে বিজয়। চিৎকার করে নয়। কান দিয়ে। প্রতিটি ছাত্র আন্দোলনকারীর জন্য এটাই শিক্ষা।