They Went and Never Came Back: The Hidden Sacrifice of Kenya’s WWII Soldiers Finally Unearthed
তারা চলে গেল, আর ফিরল না: কেনিয়ার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অজানা সৈনিকদের ত্যাগ আজ আবার উন্মোচিত

তো এটাই হলো মন ছুঁয়ে যাওয়া কথা: হাজার হাজার কেনিয়ান পুরুষ বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে ভর্তি হয়েছিল, যুদ্ধ করেছিল, মারা গিয়েছিল, আর ধোঁয়ার মতো মিলিয়ে গিয়েছিল—কোনো খবর নেই, কোনো কবর নেই, সম্মানও নেই। তাদের নাম মুছে গিয়েছিল, আর তাদের পরিবার চিরকাল জিজ্ঞাসা করেই রইল।
তবে এখন, দশক পর দশক, কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশন পুরনো উপনিবেশবাদী নথি ঘাঁটছে—যা ধ্বংস হয়ে গেছে ভাবা হত—আর এই ভূতুরে সৈনিকদের নাম আর গল্প ফিরিয়ে আনছে। এক ব্যক্তি, মুতুকু ইং’আটি, ভর্তি হয়েছিলেন, 1943 সালে নিহত হয়েছিলেন, আর তাঁর পরিবার 80 বছর পর জানল। এটা ‘সম্মান’ কীভাবে হয়?
কিংস আফ্রিকান রাইফেলস শুধু সৈনিক ছিল না—ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের লজিস্টিকসের অংশ ছিল। তাঁরা মোজাম্বিক, তাঞ্জানিয়া, মিয়ানমারে লড়াই করেছেন... যেখানগুলো তখন অধিকাংশ ব্রিটিশ মানচিত্রে দেখাতে পারত না। কিন্তু তাদের ত্যাগকে 'পাশের শব্দ' হিসাবেই ভাবা হত।
আমার দাদাও 1942 সালে মিলিয়ে গিয়েছিলেন। আমরা কিছুই জানতাম না। এখন প্রতি রাতে আমি কাঁদি। আমি চাইতাম তাঁর কবর ঘুরে দেখতে পারতাম। এটা ইতিহাস নয়—এটা আমার মানসিক আঘাত।
তো এখন আমাদের অপরাধবোধ অনুভব করতে হবে? তারা নিজেরাই ভর্তি হয়েছিল। সাম্রাজ্য নিখুঁত ছিল না, কিন্তু তখন এটাই ছিল পরিস্থিতি।
আহ, আমাকে নৈতিক সাঁকো বাঁচাতে দেবেন না। 'স্বেচ্ছাসেবী'? উপনিবেশবাদী শাসনে? জোরপূর্বক নিয়োগ আর অর্থনৈতিক চাপে? এটা স্বেচ্ছা নয়—এটা অস্তিত্বের লড়াই।
এটা অপরাধবোধ নয়। এটা ইতিহাসের হিসাব ঠিক করার ব্যাপার। অনেকদিন ধরে উপনিবেশবাদী ইতিহাস লিখেছে উপনিবেশকারীরা। আজ, আমরা হাড়গুলোকে কথা বলতে দিচ্ছি।
1963 সালে এই নথিগুলো প্রায় ধ্বংস করে দেওয়া হয়। এগুলি বেঁচে থাকে কারণ কিছু কেনিয়ান আর্কাইভিস্ট এগুলো লুকিয়ে রেখেছিলেন। আসল বীরত্ব এখানে—অস্তিত্ব মুছে ফেলা থেকে স্মৃতিকে বাঁচিয়ে রাখা।
একদম ঠিক। আমরা শুধু মানুষ হারাইনি। আমরা হারিয়েছি গল্প, রীতিক্রিয়া, পূর্বপুরুষদের। এটা থেকে কেউ ফিরতে পারে না।
আমি ইতিহাস পড়াই। আমার ছাত্রছাত্রীরা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আফ্রিকানদের বিষয়ে জানে না। তারা শুধু ডি-ডে আর চার্চিলের কথা জানে। আমি এমন পাঠ্যপুস্তক চাই যেখানে লেখা থাকবে, 'আমাদের দাদাদেরও সেখানে উপস্থিতি ছিল'।