Art Market Crashes: Is It the End of the Road for US Artists or Time for a Cultural Welfare Revolution?
শিল্প বাজার ধসের মুখে: আমেরিকান শিল্পীদের জন্য এটা শেষ পথের শুরু, না সাংস্কৃতিক সুরক্ষা আন্দোলনের সূচনা?

কোভিড মহামারির পর থেকে সবচেয়ে ভয়াবহ আঘাত পেল বিশ্বের শিল্প বাজার, আর আমেরিকার শিল্পীরা তখন থেকেই ভাসছে অস্থিরতায়। আন্তর্জাতিক বিক্রি গত বছর কমেছে ১২%—কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র পতন। এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কমেছে ৯%, যা কিনা 'আপেক্ষিকভাবে' কম। কিন্তু ভুল করবেন না—যারা ইতিমধ্যে সীমান্তে দাঁড়িয়ে, তাদের জন্য এটি মহাবিপর্যয়ের ঘণ্টা।
কোটিতে কর্মী কেরানিত্বে নির্বাসিত, আর ১% মার্কিন শ্রমিক শিল্পের সাথে জড়িত—তবু গোষ্ঠীটির সামনে শুননেই রাষ্ট্রের ভূমিকা। এক বিশেষজ্ঞ মন্তব্য করেছেন, আমেরিকান নীতি হলো 'সাংস্কৃতিক দায়িত্ব পরিত্যাগ'। কি শিল্পীদের কৃষক বা শিক্ষকদের মতোই নিরাপত্তা জালের দাবি আদায় করার সময় এসেছে?
সত্যি কথা বললে, শিল্পকে 'আবশ্যিক নয়' হিসেবে দেখাই আমেরিকার ঐতিহ্য। কিন্তু এটাকে কি সাংস্কৃতিক দরিদ্রতা বলবেন? তা হলে তো সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিভীষিকা! শিল্পীরা টাকা চাইছে না—মৌলিক স্থিতিশীলতা চাইছে। কোয়া কৃষকদের আমরা সাবসিডি দিই। তবে কি সৃজনশীল পেশাগুলোর ক্ষেত্রে তা করা যাবে না?
মানুষ, শুধু ‘উপস্থিতিতে’ শীত কাটানোর চেষ্টা করে দেখো। আমার আয়ের ৭০% কখনও আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের ওপর নির্ভর করত। এখন কি? কাজ মিলছে না। গ্যালারি ফোনই ধরছে না। ফেব্রুয়ারিই ছিল আমার শেষ কমিশন। আর সরকার বলছে ‘শুধু কোডিং শিখে ফেলুন’? তো আমরা নাচবো কিনা?
শিল্পকলা গুরুত্বপূর্ণ, তবে বাজার নিজে কিছু স্থিতিশীল করে। কমতির শিল্পে বারবার করের টাকা ঢালা ঝুঁকিপূর্ণ পথ। স্থিতিশীলতা চান? তবে STEM-এই ঢুকুন।
খুব ভালো, কারণ 'বাজার সঠিক' এর নামে দেশের আত্মার স্রষ্টাদের উপবাস পালন করানো খুব যুক্তিসঙ্গত। যদি STEM-ই একমাত্র উত্তর হয়, তবে সিলিকন ভ্যালির কী হউক, যেখানে বারবার কবিরা শিল্প তৈরি করেন?
মজার ব্যাপার, ফ্রান্স ও জার্মানি শিল্পীদের স্টাইপেন্ড দেয়, অথচ তারা অর্থনৈতিক শক্তি। শিল্পমাত্র শুধু 'অনুভূতি' নয়—এটি জাতীয় পরিচয় গড়ে। কিন্তু আসুন, আমরা আরও ভাবব সংস্কৃতি গাছে ফলে।
যে ব্যক্তি দিনের পর দিন ভায়োলিন বাজান, তার ভাষায়, আমি আজীবন শুধু মুড়ি কিনতেও পারছি না। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রথমেই শিল্পের বাজেট কাটে। আমাদের বলা হয় ‘উৎসাহ দিয়ে কাজ করুন,’ আর এদিকে স্থায়ী পদে থাকা অধ্যাপকরা বোনাস পাচ্ছেন। আন্তরিকতার সাথে তোমার সাথে কন্ঠ, মুরাল আঁকুনিয়া।
মজার ব্যাপার, যখন প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়ে তখন 'আর্থিক দায়িত্ব' উধাও হয়, আবার শিল্প অনুদানের ক্ষেত্রে সেটা গর্জন করে ফিরে আসে।
এটা সত্যিই কুচিৎ, তবে শেষ নয়। শিল্পীরা নিজেকে খাপ খাওয়ায়। হতে পারে এই সঙ্কট আমাদের আবার ভাবতে শেখায়—সহযোগী প্রতিষ্ঠান, NFT, স্রষ্টাদের নিজেই সংগঠিত দেখাশোনাকারী গ্যালারি। পুরনো বাজার মরছে? হতে পারে। কিন্তু নবজন্ম আসছে।