Rensselaer’s Architecture Students Just Redefined the Future—But Are We Ready to Live in It?
রেনসেলারের আর্কিটেকচার ছাত্রছাত্রীরা ভবিষ্যতকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করেছে—কিন্তু কি আমরা সেই ভবিষ্যতে বাস করতে প্রস্তুত?

রেনসেলার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের আর্কিটেকচার স্কুল এমন একটি পোর্টফোলিও মুক্তি দিয়েছে যা এতটাই দূরদৃষ্টিসম্পন্ন যে এটি কোনো সায়েন্স ফিকশন ছবির কনসেপ্ট আর্ট ব্রাউজ করার মতো লাগে—শুধু এটি কাল্পনিক নয়, বাস্তব। নিউ ইয়র্কের একটি আর্ট মিউজিয়ামের উপর ভাসমান একটি স্যাটেলাইট ডিশ-আকৃতির গ্যালারি থেকে শুরু করে এমন একটি লাইব্রেরি, যা নীরবতার জন্য নয় বরং সম্প্রদায়ের খেলার জন্য তৈরি, এই প্রকল্পগুলো কেবল ভবন নয়। এগুলো হলো ঘোষণাপত্র।
‘টেকটোনিক এনকাউন্টারস’-এর মতো প্রকল্প নিন—এটি জাপানি ও সালভাদোরান স্থাপত্যকে নতুন করে ভাবে, যেখানে সাংস্কৃতিক মিশ্রণ, ধ্বংস নয়, নতুন আঞ্চলিক শৈলী তৈরি করেছে। অথবা ‘সাসপেন্ডেড স্যানকচুয়ারি,’ যেখানে জ্যামিতি কোমলতার কাছে হার মানে। এগুলো কোনো সাধারণ ছাত্র প্রকল্প নয়। এগুলো ফোম ও কাঠে মোড়া নীরব বিপ্লব।
‘কবিত্বময় চার্জযুক্ত’ ভবন নিয়ে এত কথা শুধু গ্যালারির জন্য ঠিক আছে, কিন্তু এগুলোর মধ্যে একটি ক্যাটাগরি ৫-এর ঘূর্ণিঝড় ঠেকাবে কীভাবে তা দেখান। আমি উদ্ভাবন পছন্দ করি, কিন্তু যখন আকৃতির চেয়ে ভৌতিক বিজ্ঞান কম গুরুত্ব পায়, তখন মানুষ মারা যায়।
সত্যি বলুন—এই ‘সম্প্রদায়ভিত্তিক’ ডিজাইনগুলির অধিকাংশই পাঁচ বছরের মধ্যে অকল্পনীয় মূল্যের লাক্সারি লফটে পরিণত হবে। ‘রেফ্রেম লেভিটটাউন’? অনুগ্রহ করে। এটা হলো পুরনো কাঠের কাঠামোতে লুকানো জেন্ট্রিফিকেশন।
আমি আমার ফোম-কোর মডেল নিয়ে সারারাত কাজ করেছি, এখন ‘বান্ডেল অ্যান্ড পিঞ্চ’ প্রকল্প দেখলাম—আমি কেন কাঠের ব্লকগুলোতে ডাক্ট টেপ জড়ানোর কথা ভাবিনি? এটা পুরোপুরি জিনিয়াস।
‘পারপেচুয়াল টেমপোরালিটি’ প্রকল্পটিই সঠিক ধারণা দেয়: মডিউলার কাঠ, শহুরে পুনর্ব্যবহার, বায়োস্ফিয়ারের সাথে একীভূতকরণ। এটি শুধু ডিজাইন নয়—এটি একটি চক্রাকার অর্থনীতির ছক। আরও বেশি স্কুলকে শুধু সুন্দর ফ্যাসাড রেন্ডার না শিখিয়ে এটি শেখানো দরকার।
আমি ‘টেকটোনিক এনকাউন্টারস’ কে কাল্পনিক উপন্যাস হিসেবে পছন্দ করি, কিন্তু ঔপনিবেশিক বিলোপ ঘটেনি এমন ভাবলে প্রকৃত সম্প্রদায় আর ভাল হবে না। আমাদের দরকার আসল নীতি, না স্থাপত্যের দিবাস্বপ্ন।
হা হা, আমার প্রফেসরও ঠিক একই কথা বলেছেন। তারপরও আমাদের একটি ‘কবিত্বময় চার্জযুক্ত’ মডেল বানাতে বললেন।
‘এ ফিল্ড ফর দ্য পাসারবাই’ প্রকল্পটি অদৃশ্যতাকেই ডিজাইন হিসেবে বুঝে। অদৃশ্য, অপ্রশংসিত জিনিসকে মূল্য দেওয়া এমন স্থাপত্য দেখা বিরল। এটাই হলো সামাজিকভাবে সচেতন ডিজাইনের চেহারা।