Is This Chernobyl Fungus Actually 'Eating' Radiation? Scientists Say It Might Be Evolving Beyond Human Limits
চেরনোবিলের ছত্রাক কি সত্যিই 'বিকিরণ' খাচ্ছে? বিজ্ঞানীরা বলছেন এটি হয়তো মানুষের সীমা ছাড়িয়ে বিবর্তিত হচ্ছে

তো একটা ছত্রাক আছে—কালো, একদম অদৃশ্য, চেরনোবিলের সবচেয়ে বেশি বিকিরণযুক্ত স্থানে ঠাঁই করে ফেলেছে। মানুষের কয়েক মিনিটের জন্যে হালকা স্যুট লাগলে, এই ছোট্ট প্রাণী সেখানে উৎফুল্ল। শুধু বেঁচে থাকার কথা না, বিকিরণকে প্রতিরোধ করার কথা না—এটা হয়তো তা দিয়েই খাচ্ছে। মেলানিন, আমাদের ত্বকের রঙ দেয় যে রঞ্জক, তার রহস্যময় অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে, গামা রশ্মিকে কাজে লাগানো রূপান্তর করে। যেন এক চিৎকারগীতির সুরে একটু আলোর সংশোধন।
বিজ্ঞানীরা এটিকে রেডিওসিনথেসিস বলে—হ্যাঁ, সালোকসংশ্লেষণের মতোই, কিন্তু সূর্যের আলো নয়, গামা রশ্মি দিয়ে চালিত। কিন্তু সমস্যা হলো—এটা এখনো একটি প্রকল্প। এই ছত্রাক রেডিয়েশন দিয়ে ATP তৈরি করে কিনা, সৌর প্যানেলের মতো, সেই চূড়ান্ত প্রমাণ আমাদের কাছে নেই। কিন্তু যদি এটা রেডিয়েশন ‘খায়’ না, তারপরও মারাত্মক মাত্রার মধ্যে বাড়ার সামর্থ আমাদের জীবন-সীমা সম্পর্কিত ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করে। কি হয়তো এই ছত্রাক অন্য গ্রহে জীবনের মডেল হতে পারে—অথবা মহাকাশচারীদের বিকিরণ থেকে রক্ষার ভবিষ্যতের ঢাল?
এখানে যে বোঝানো হচ্ছে তা বিশাল। যদি মেলানিন সত্যিই আয়নীকরণ রেডিয়েশনকে চার্ব্য শক্তিতে রূপান্তর করতে পারে, তবে আমরা এমন প্রাণের দিকে তাকিয়ে আছি যে শুধু রেডিয়েশন সহ্য করে না, তা উপভোগ করে। এটি স্থানাঙ্কের গণ্ডি বদলে দেয়। হঠাৎ করেই বৃহস্পতির উপগ্রহ ইউরোপা বা সৌর ঝড়ের পর মঙ্গলের পৃষ্ঠও বিকিরণ-ভিত্তিক জীবসংস্থানের সম্ভাব্য আবাস হয়ে ওঠে।
থামুন। 'রেডিওসিনথেসিস' একটা ধাঁধার মতো নাম, কিন্তু প্রক্রিয়া কোথায়? সালোকসংশ্লেষণে ক্লোরোপ্লাস্ট, ইলেকট্রন পরিবহন শৃঙ্খল, ATP সিনথেস—পুরো জৈবরাসায়নিক সরঞ্জাম আছে। মেলানিন একা এটা করতে পারে কিনা আমি বিশ্বাস করি না, এমন জটিলতা ছাড়া। অসাধারণ দাবির জন্য দরকার অসাধারণ প্রমাণ।
নিশ্চয়, প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সাদামাটা অভিযোজনের ক্ষমতা কম মূল্যায়ন করবেন না। জীবন আপন পথ খুঁজে নেয়—সবসময় খুঁজেছে। আমরা সালোকসংশ্লেষণ বোঝার আগে, উদ্ভিদ বিলিয়ন বছর মৌনে তা করছিল। হয়তো রেডিওসিনথেসিস আমাদের আপডেট হওয়ার অপেক্ষায়।
বিজ্ঞানের বাইরে, এখানে কবিত্ব আছে। মানবতার সবচেয়ে বড় পারিস্থিতিক দুর্ঘটনায় এখন এমন জীব বাসা বাঁধছে যা তাকে প্রত্যাখ্যান করছে। নিয়ন্ত্রণ ও ব্যর্থতার স্মৃতিসৌধ এখন দৃঢ়তার পুষ্টিসামগ্রী। যেন প্রকৃতি আমাদের বিষকে জ্বালানি তে রূপান্তর করে আরোগ্য হচ্ছে। এটা বিজ্ঞান কল্প নয়—আসল জীবন।
আমার পরিবারকে ১৯৮৬ সালে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। প্রাপ্তবয়স্ক হিসাবে আবার গিয়েছিলাম। ওখানে সবুজ কিছু বাড়তে দেখলে… মনে মিশ্রভাব। হৃদয় ভাঙে যে দুর্ঘটনার পর এটা, কিন্তু একটু আশা মনেও জাগে। জীবন ভঙুর নয়—অতিশয় অবিচল। এই ছত্রাক? এটা আমার সবচেয়ে প্রিয় বিদ্রোহী।
এই ছত্রাক দিয়ে মঙ্গল ঘরগুলোর জন্য জৈব-ঢালের কথা ভাবুন। দেয়ালে লেপ মাখান—রেডিয়েশন ঢুকবে, শক্তি বেরবে। আমরা শুধু বাঁচা নিয়ে কথা বলছি না, মঙ্গলে বাড়ি-বাড়ানো নিয়ে বলছি। ইলনকে ভুলুন—এই ছোট্টটি আসল উদ্ভাবক।
আমার একটা গাছ চাই যে আমার আলোহীন ফ্ল্যাটে বাড়ে। এই ছত্রাক চেরনোবিল সামলায়, আমি একগুঃ সাপের গাছটা ঢলা বন্ধ করতে পারি না।
টেক ভাইয়ের দিকে—আপনার বাড়ির স্বপ্ন? মাগো। এখন এ জায়গাটা পবিত্র। এটা ল্যাব বা উপনিবেশ নয়। মাশরুম দিয়ে ভরা স্মৃতির কবর।