Stem Cells Just Gave Blind Patients Their Vision Back – Is This the End of Macular Degeneration?
স্টেম সেল চোখের অন্ধত্ব হারানো রোগীদের আবার দৃষ্টি ফিরিয়ে দিল—কি এটাই কি সুষম জাতীয় দৃষ্টিহীনতার শেষ?

www.sciencealert.com
We're not just talking about slight improvements — one year post-op, the most impaired patients gained an average of 21 letters on eye charts. That’s like going from seeing only the giant 'E' to reading multiple lines. And get this: no tumors, no immune rejection. This isn’t sci-fi anymore.
এটা মামুলি উন্নতি নয়—অপারেশনের এক বছর পর সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত রোগীরা চোখের চার্টে গড়ে ২১টি অক্ষর পড়তে পারলেন। মানে, শুধু 'E' দেখা থেকে এসে গেলেন সারি পর সারি পড়ায়। এবার শুনুন: টিউমার নেই, ইমিউন প্রত্যাখ্যান নেই। এটা আর সাই-ফাই নয়।
আমি যার চোখের জীববিজ্ঞান পড়ছি, সে হিসেবে আমি মুগ্ধ। আমরা দশকের পর দশক ধরে ম্যাকুলার ডিজেনারেশনকে 'চিকিৎসা করা যায়, কিন্তু সারানো যায় না' এমন বিষয় মনে করেছি। ক্ষতিগ্রস্ত RPE কোষ মেরামত করা যাবে—এই ধারণাই আমাদের চিন্তাভাবনার রিফর্ম করছে। কিন্তু সত্যি বললে, ৬ জন মাত্র রোগী—খুবই ছোট নমুনা। ফেজ ৩ আমাদের বলবে এটা বড় পরিসরে কাজ করে কিনা।
আমার দাদীর ড্রাই AMD আছে। সে আর মুখ চিনতে পারে না। যদি এটা বড় পরিসরে কাজ করে, কোটি কোটি মানুষের জীবনে আবার মর্যাদা আসবে। এটা কেবল বিজ্ঞান নয়—মানবতা জয়ের গল্প।
বিশাল আবিষ্কার খুব ভালো, কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক বনাম ভ্রূণের স্টেম সেল—এটা খুব ঝুঁকিপূর্ণ জমি। এরা প্রাপ্তবয়স্ক স্টেম সেল ব্যবহার করেছে—এটা নৈতিক ঝামেলা এড়ায়। কিন্তু সুযোগের প্রশ্ন এখনো বাকি। প্রতি চোখের জন্য ৫ লক্ষ ডলার হবে? শুধু ধনীরা দেখতে পাবে।
খরচ নিয়ে ভাবনা সম্পূর্ণ যুক্তিযুক্ত। কিন্তু ভুলবেন না—LASIK একসময় বিলাসিতার মধ্যে পড়ত। আজ তা সাধারণ ঘটনা। নিয়ন্ত্রক পথ আপনার চেয়ে তাড়াতাড়ি সুযোগ তৈরি করবে।
ছয় জন রোগী। গড় বয়স ৭৮। শুরুতে দৃষ্টিশক্তির মাত্রায় বিশাল পার্থক্য। আকর্ষক ফলাফল? অবশ্যই। কিন্তু 'অলৌকিক' দাবি অযৌক্তিক। এটি আশাবাদপূর্ণ ফেজ ১/২এ। ফেজ ৩ আসা পর্যন্ত আশা বাড়াবেন না।
আমি ৮ মাস ধরে ক্ষীণ দৃষ্টি সহায়তার তালিকায় আছি। যদি এটা আসল দৃষ্টি ফিরে পেতে সাহায্য করে, তাহলে আমি আমার প্রথম বেতন গবেষণা দলকে দান করব।
গত সপ্তাহে আমি এমন উপন্যাস পড়েছি যেখানে মানুষ ল্যাবে চোখ তৈরি করে। আমি ভেবেছিলাম পাগলামি। আজ আমি মুখে কাঁদা খাচ্ছি আর প্রতিটি কামড় উপভোগ করছি। বিজ্ঞান আবার কল্পকাহিনির ওপর চড়া গলা দিল।